
এটি ট্রাম্পের নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। এতদিন তিনি দাবি করে আসছিলেন, তার আরোপ করা ব্যাপক শুল্কের সঙ্গে মূল্যস্ফীতির কোনো প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নেই। তবে শুল্ক প্রত্যাহারের ঘোষণার পর সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে ট্রাম্প স্বীকার করেন, “কিছু ক্ষেত্রে” শুল্ক দাম বৃদ্ধি করতে পারে; যদিও সামগ্রিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে “প্রায় কোনো মূল্যস্ফীতি নেই” বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সম্প্রতি ভার্জিনিয়া, নিউ জার্সি এবং নিউইয়র্ক সিটির স্থানীয় নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের ধারাবাহিক জয়ে উচ্চ জীবনযাত্রার ব্যয় ও খাদ্যদ্রব্যের দাম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু ছিল। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, রাজনৈতিক চাপও ট্রাম্প প্রশাসনকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে।
ট্রাম্প আরও জানিয়েছেন, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মার্কিনিদের জন্য দুই হাজার ডলারের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে, যা আগামী বছর শুল্ক রাজস্ব থেকে অর্থায়ন করা হবে।
এদিকে আর্জেন্টিনা, ইকুয়েডর, গুয়াতেমালা ও এল সালভাদর থেকে আনা কিছু খাদ্যপণ্য ও অন্যান্য আমদানির ওপর থাকা শুল্ক উঠে যাচ্ছে বলে প্রাথমিক বাণিজ্য চুক্তির ঘোষণা দিয়েছে প্রশাসন। বছরের শেষের আগেই আরও চুক্তি সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কাজ চলছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
শুক্রবার প্রকাশিত শুল্কমুক্ত পণ্যের তালিকায় রয়েছে বেশ কিছু দৈনন্দিন প্রয়োজনের পণ্য— যেগুলোর দাম চলতি বছর দুই অঙ্কে বেড়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কমলা, আসাই বেরি, পাপরিকা, কোকো, খাদ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত রাসায়নিকসহ আরও অনেক পণ্য।
সূত্র : সিএনএন ও নিউইয়র্ক পোস্ট