ঢাকা | বঙ্গাব্দ

ডিহাইড্রেশন রুখতে কোন পানীয় সবচেয়ে উপকারী?

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 25, 2025 ইং
ছবির ক্যাপশন:
ad728

গরমে কিংবা বৃষ্টির দিনে শরীরে ডিহাইড্রেশন হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। অতিরিক্ত গরমে বার বার ঘাম বের হওয়ায় শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। অন্যদিকে বর্ষার আর্দ্রতায় ঘামের মধ্যে দিয়ে শরীরের পানি বেরিয়ে গিয়ে ডিহাইড্রেশন হয়। এ কারণে গ্রীষ্ম ও বর্ষায় পর্যাপ্ত পানি খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।

তবে অনেক সময় সারা দিনে ৩ থেকে ৪ লিটার পানি খাওয়ার পরেও ডিহাইড্রেশন দেখা দেয়। এতে মাথা ঘোরা, ক্লান্তি, মুখ ও ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে বমি ভাবের মতো লক্ষণগুলি ফুটে ওঠে। এমনকী অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটতে দেখা যায়। 

শুধুমাত্র পানি পান করলেই শরীরের হাইড্রেশন বজায় থাকবে এমন ভাবা ঠিক নয়। সাধারণ পানি খুব সহজেই শরীর গ্রহণ করে ঘাম ও মূত্রের মাধ্যমে দ্রুত নিঃসরণ করে দেয়। কিন্তু শরীরে হাইড্রেশন বজায় রাখার জন্য শুধু পানি যথেষ্ট নয়। পুষ্টিবিদদের মতে, পানির সঙ্গে লেবু বা পুদিনা পাতা মেশালে তা শরীরের ইলেকট্রোলাইটের মাত্রা বজায় রাখে। এতে শরীরে পানির ধারণক্ষমতাও বাড়ে। সোডিয়াম, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ক্লোরাইডের মতো ইলেকট্রোলাইটগুলো কোষের ভিতরে এবং বাইরে পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। এতে শরীরে শক্তি বাড়ে। একইসঙ্গে প্রস্রাবের পরিমাণ কমে। 
সারা দিনে আপনি কতটা পানি পান করছেন,কীভাবে পান করছেন তাও গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ জলের পরিবর্তে ডাবের পানি পান করতে পারেন। এতে শরীরে পানি ও খনিজের ভারসাম্য বজায় থাকে। একইসঙ্গে ফলের রস, ফল ও সবজি প্রভৃতি শরীরকে হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করে। তাই, শুধু পানি পান,হাইড্রেট থাকতে অন্যান্য খাবারও খাদ্যতালিকায় যুক্ত করুন। 


নিউজটি আপডেট করেছেন : daliykalerbangladesh

কমেন্ট বক্স