‘ডাকসুতে দাঁড়াইছে সবাই, বসে আছে একজনই’– ফেসবুকে এমন ট্যাগ লাইন দিয়ে প্রচার করে আলোচনায় এসেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের স্বতন্ত্র সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থী আশিকুর রহমান।
অদ্ভুত সব ইশতেহার দিয়েও ভোটারদের নজর কেড়েছিলেন। তবে মঙ্গলবার ভোটের দিন খুব একটা দেখা মেলেনি আশিকুরের। ফোন দিলে লম্বা সালাম দেন। পরে অবস্থানের বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে আশিকুর বলেন, ‘আমি তো সবখানেই ছিলাম। বিভিন্ন চ্যানেল আমার সাক্ষাৎকারও নিয়েছে।’
কেমন ফলাফল আশা করছেন– প্রশ্নে তিনি বলেন, রাত ১২টা বাজুক, ফলাফল দিক। এখন তো ওবায়দুল কাদেরের মতো বলতে হয়– ‘একটুও সহ্য হয় না? রেজাল্টটা দিক’। আমি এমন লোক যে, শিওর না হয়ে কথা বলি না। রেজাল্ট হোক, তারপর একটা কথা বলা যাবে।
আশিকুর ইংরেজি বিভাগের ২০২২-২৩ সেশনের ছাত্র। নির্বাচন উপলক্ষে তাঁর ইশতেহার ছিল, ‘ডাকসুতে আগুন লাগাতে চলে আসলাম বন্ধুরা’। এতে তিনি ক্লাসে উপস্থিতির নম্বর শিথিল করবেন উল্লেখ করেছিলেন।
আশিকুর বলেছিলেন, ‘আই ডিক্লেয়ার ওয়ার ওন মাই ফ্যাকাল্টিজ (শিক্ষক)। কেন আমাকে ওই ৫ মার্কের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা বস্তাপচা লেকচার শোনা লাগবে? এর থেকে ক্লাস না করে ভালো রেজাল্ট করা যায়। অ্যান্ড দে ইউজ ইট অ্যাজ এ ওয়েপন। অ্যাটেনডেন্স ৭০-৭৫% হলেই ফুল মার্ক দেওয়া উচিত। আর ৫০% থাকলেও পরীক্ষায় বসতে দেওয়া উচিত। কিউএস র্যা ঙ্কিং দিয়ে আদৌ কিছু হয়? আমাদের ঘাড়ের ওপর পা দিয়ে জাতে উঠার চেষ্টা করলে হবে না। অবশ্যই শিক্ষার্থীদের সুবিধা আগে।’
daliykalerbangladesh