ঢাকা | বঙ্গাব্দ

অধ্যাপক মাফরুহী সাত্তার ‘লেজ গুটিয়ে’ পালিয়েছেন: সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Sep 13, 2025 ইং
ছবির ক্যাপশন:
ad728

নির্বাচনের ফল ঘোষণার আগ মুহূর্তে অধ্যাপক মাফরুহী সাত্তারের পদত্যাগকে ‘লেজ গুটিয়ে পালানোর’ সঙ্গে তুলনা করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে শিবির সমর্থিত প্যানেল শিবির সমর্থিত প্যানেল ‘সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট’।

জাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাফরুহী সাত্তারের পদত্যাগের প্রতিবাদে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে জাকসু নির্বাচন কমিশনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্যানেলের প্রার্থীরা এই মন্তব্য করেন। 

এজিএস (পুরুষ) প্রার্থী ফেরদৌস আল হাসান বলেন, জাকসু নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য নির্বাচন কমিশনের একজন সদস্য পদত্যাগ করেছেন। যা একটি প্রহসনমূলক আচরণ। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি। এই পদে থেকে কীভাবে তিনি সুষ্ঠু নির্বাচন কমিটি পরিচালনার দায়িত্বে থাকেন? তিনি যেসব অভিযোগ করেছেন তা একেবারেই ভিত্তিহীন। কেননা আমরা একটি সুষ্ঠু পরিবেশেই ভোটদান করেছি। নির্বাচন পরিচালনায় ত্রুটি থাকলেও শিক্ষার্থীরা ভোট দিয়েছেন এবং প্রায় ৬৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন যে, তারা  জাকসু চান। এই নির্বাচন বাঞ্চালের প্রচেষ্টা টিকবে না।

ভোট গণনা পদ্ধতি নিয়ে বিতর্কের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, অন্যান্য প্যানেলের সঙ্গে কথা না বলেই একটি নির্দিষ্ট ছাত্র সংগঠনের কথায় ম্যানুয়ালি ভোট গণনা করে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন শেষ হওয়ার ৩০ ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও কেবলমাত্র এগুলোর ভোট এ পর্যন্ত গণনা করা হয়েছে। অথচ জাকসুর সকল পদের ভোট গণনা এখনও বাকি। সেই দায় তাকে নিতে হবে। শেষ মুহূর্তে এসে যুদ্ধের ময়দান থেকে লেজ গুটিয়ে পালানোর মতো করে তিনি পদত্যাগ করেছেন। আমাদের মনে হয়, নির্বাচনকে ঘিরে তার হীন ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে তার জবাব দিয়েছে। আমরা তার এই পদত্যাগের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাই। কেননা তার যদি মনে হতো যে, নির্বাচনে অনিয়ম হয়েছে তাহলে তিনি গতকালই পদত্যাগ করতেন। ৩০ ঘণ্টা অতিবাহিত হওয়ার পর ফল ঘোষণার আগ মুহূর্তে  তিনি কেন পদত্যাগ করলেন? 

প্যানেলের কার্যকরী সদস্য (নারী) পদপ্রার্থী নুসরাত জাহান ইমা বলেন, নির্বাচনের শেষ মুহুর্তে একজন নির্বাচন কমিশনের সদস্যের পদত্যাগ আশা করা যায় না। তাকে আরও দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। এই নির্বাচন না না অনিয়ম ও ব্যবস্থাপনার কারণে আগে থেকেই প্রশ্নবিদ্ধ। কী অবস্থায় তার এই পদত্যাগ আসলে পালিয়ে যাওয়া। তার এই পদত্যাগ আমরা মেনে নিচ্ছি না। 

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আরিফ উল্লাহ, জিএস প্রার্থী মো. মাজহারুল ইসলামসহ অন্যান্য প্রার্থীরা। সংবাদ সম্মেলন শেষে তারা ক্যাম্পাসে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।


নিউজটি আপডেট করেছেন : daliykalerbangladesh

কমেন্ট বক্স