কালের বাংলাদেশ
সিরামিক শিল্পপ্রতিষ্ঠানে দক্ষ লোকের চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে। বিশেষ করে সিরামিক প্রকৌশলীদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রায়ই প্রকাশ পায়। দেশে সিরামিক প্রকৌশলীর অভাব থাকলেও তাদের চাকরির নিশ্চয়তা রয়েছে। তাই নবীন প্রজন্মের জন্য সিরামিক প্রকৌশল একটি লাভজনক ও সম্ভাবনাময় পেশা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
কারিগরি শিক্ষা গ্রহণের জন্য সিরামিক প্রকৌশল একটি জনপ্রিয় বিকল্প। বাংলাদেশে চার বছরের ডিপ্লোমা কোর্স রয়েছে কাচ ও সিরামিক প্রকৌশলে। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে দক্ষ ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা কাজ করছেন এবং ক্যারিয়ারে উন্নতির সুযোগ পাচ্ছেন। সিরামিক শিল্পে টাইলস, স্যানিটারি এবং টেবিলওয়্যার বিভাগে কাজের সুযোগ রয়েছে।
সিরামিক পণ্যের চাহিদা বাড়ছে; এখন এটি শুধু প্রয়োজনীয়তা নয়, বরং ফ্যাশন এবং সৌন্দর্যবর্ধনের অংশ। দেশে প্রায় শতাধিক সিরামিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে যা দেশের চাহিদা প্রায় শতভাগ পূরণ করে। সম্প্রতি দেশের সিরামিক পণ্য বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। কাঁচামাল সস্তা হওয়ায় বিদেশি বিনিয়োগকারীরা এই শিল্পে আগ্রহী। ফলে দক্ষ সিরামিক প্রকৌশলীর চাহিদা দিন দিন বাড়ছে।
সিরামিক প্রকৌশলীরা পণ্যের নকশা, গুণগত মান যাচাই ও নতুন পণ্য উন্নয়নে কাজ করেন। দেশে দুই শতাধিক সিরামিক কারখানায় সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কাজ শুরু করা যায় এবং দক্ষ হলে দ্রুত পদোন্নতি পাওয়া যায়। বিসিএসআইআর এবং বিএসটিআইয়ে গবেষণা ও কাজের সুযোগও রয়েছে।
পেশায় সাফল্যের জন্য গুণগত মান বজায় রাখা এবং সৃজনশীলতা গুরুত্বপূর্ণ। শুরুতে বেতন কম হলেও দ্রুত বাড়ে, ৭০ হাজার থেকে এক লাখ টাকার মধ্যে পৌঁছাতে পারে।
শিক্ষার সুযোগ: রাজশাহী প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) গ্লাস অ্যান্ড সিরামিক প্রকৌশল বিভাগ চালু রয়েছে। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে চার বছরের ডিপ্লোমা ও দুই বছরের ট্রেড কোর্স রয়েছে। ভর্তির জন্য এসএসসি বা সমমান পাশ করতে হয়, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে ভর্তির সুযোগ পাওয়া যায়।
যোগাযোগ: বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব গ্লাস অ্যান্ড সিরামিকস, তেজগাঁও, ঢাকা-১২০৮।
বিস্তারিত তথ্য পাবেন: www.bteb.gov.bd
daliykalerbangladesh