আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহসম্পাদক আহসান হাবিব ভূঁইয়াকে বনানী থানার নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন নাকচ করে দিয়েছে আদালত। আজ সোমবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্টোপলিটন মাজিস্ট্রেট ওয়াহিদুজ্জামান আবেদনটি নাকচ করে দেন। ফলে অন্য কোনো মামলা না থাকায় তার মুক্তিতে বাধা নেই।
জানা গেছে, গত ৪ অক্টোবর ভোর ৬টার দিকে গুলশানের ১১৮ নম্বর রোডের একটি বাসা থেকে গ্রেপ্তারের পর ওইদিনই আহসান হাবিবকে গুলশান থানার সন্ত্রাস বিরোধ আইনের মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়। পরদিন আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। এর দুই দিন পর গত ৮ অক্টোবর তার জামিনের আদেশ হয়। জামিনের আদেশের পরই আহসান হাবিব ভূঁইয়াকে বনানী থানার নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) কামাল হোসেন।
এদিন শুনানিকালে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা আহসান হাবিব ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। আহসান হাবিব ভূঁইয়ার আইনজীবী ওমর ফারুক দাবি করেন, তিনি একজন জুলাই যোদ্ধা। আন্দোলননে তার সক্রিয় ভূমিকা ছিল। শুনানি নিয়ে গ্রেপ্তার দেখানোর মত সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না পাওয়ায় আদালত আবেদন নামঞ্জুর করেন।
গুলশান থানার মামলায় অভিযোগ করা হয়, গত ১২ সেপ্টেম্বর দুপুরে গুলশানের ফজলে রাব্বী পার্কের পাশে ‘নিষিদ্ধঘোষিত’ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ব্যানার হাতে উসকানিমূলক স্লোগান দেন। তারা গাড়ি ভাঙচুরের চেষ্টা করে জনমনে ভীতির সঞ্চার করেন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর সময় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার হন। তাদের মোবাইল ফোনে ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা গেছে, আসামিরা রাষ্ট্রকে ‘অস্থিতিশীল’ ও রাষ্ট্র অবকাঠামোকে ‘ধ্বংস করার’ প্রচারণা চালাচ্ছে।
daliykalerbangladesh