অটোরিকশামালিক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, সুলতান উদ্দিন, আব্দুস সামাদ, শরিফুল ইসলাম, আব্দুল কুদ্দুস, হিমেল, মোহাম্মদ মনসুর আলীসহ অন্যরা জানান, তারা বিভিন্ন এনজিও থেকে কিস্তিতে লোন নিয়ে এবং সুদে টাকা নিয়ে অটোরিকশা কিনেছেন। অনেক মালিক এখনও তাদের কিস্তির টাকা এবং সুদের টাকা পরিশোধ করতে পারেননি।
ক্ষতিগ্রস্ত গ্যারেজমালিক, দোকানমালিক এবং অটোরিকশা মালিকরা দাবি করেন, আগুনে তাদের প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
শ্রীপুরের মাওনা ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ নুরুল করিম বলেন, ‘খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিটের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় আধা ঘণ্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুনে ২০টি অটোরিকশা, সাউন্ডবক্স, মাইক, মুদিদোকানের সব মালামাল এবং চা দোকান পুড়ে গেছে।’
গ্যারেজমালিক আবুল মুনসুর মণ্ডল জানান, ভোর সাড়ে ৪টার দিকে গ্যারেজের পাশের চা দোকানে আগুন দেখতে পান স্থানীয়রা। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পাশের সাউন্ড বক্সের দোকান, মুদি এবং অটো গ্যারেজে ছড়িয়ে পড়ে। এসময় গ্যারেজে চার্জ দিয়ে রাখা ১৫টি অটোরিক্সা পুড়ে ছাই হয়ে যায়।