স্থানীয় ব্যবসায়ী গোলাম মোস্তফা জানান, “প্রতিবছর ভাঙনের কারণে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও জীবিকার মূল উৎস হারানোর শঙ্কায় থাকি। স্থায়ী বাঁধ না থাকায় বর্ষা মৌসুমে প্রতিনিয়ত আতঙ্কে থাকতে হয়।” অন্য ব্যবসায়ী সালাউদ্দিন মোল্লা বলেন, “জিও ব্যাগ দিয়ে সাময়িকভাবে ভাঙন রোধ করা হচ্ছে, কিন্তু তা যথেষ্ট নয়। দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা প্রয়োজন।”
পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাশিয়ানী শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী এস.এম. রেফাত জামিল জানিয়েছেন, “চলতি বর্ষা মৌসুমে ভাটিয়াপাড়া, ফুকরা চরমাঠলা, মানিকহার, মানিকদাহ, ডুবশী, এমবিআর চ্যানেলের পূর্ব নিজড়া এবং শৈলদাহ নদীর লেবুতলা এলাকায় নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। ক্ষতি কমানোর জন্য জিও ব্যাগ দিয়ে প্রাথমিক প্রতিরক্ষা নেওয়া হয়েছে। স্থায়ী প্রতিরক্ষা কাজের জন্য বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। বরাদ্দ পেলে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।”
স্থানীয়রা আশা করছেন, শুধু পরিদর্শন বা আশ্বাস নয়, দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা নিলে তাদের বাড়ি-বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং ফসলী জমি বাঁচানো সম্ভব হবে। তারা কর্তৃপক্ষকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য চাপ দিচ্ছেন।
daliykalerbangladesh