ঢাকা | বঙ্গাব্দ

মধুমতি নদী ভাঙন: ভাটিয়াপাড়া থেকে শৈলদাহ পর্যন্ত ক্ষতির শঙ্কা

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 21, 2025 ইং
গোপালগঞ্জে মধুমতি নদী ও এমবিআর চ্যানেলের তীব্র ভাঙ্গনে হুমকির মুখে বাড়িঘর, ফসলী জমি ও রাস্তাঘাট ছবির ক্যাপশন: গোপালগঞ্জে মধুমতি নদী ও এমবিআর চ্যানেলের তীব্র ভাঙ্গনে হুমকির মুখে বাড়িঘর, ফসলী জমি ও রাস্তাঘাট
ad728
কালের বাংলাদেশ ।
২১ অগাস্ট ২০২৫

গোপালগঞ্জের মধুমতি নদী ও এমবিআর চ্যানেলের একাধিক স্থানে তীব্র ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। কাশিয়ানী উপজেলার ভাটিয়াপাড়া বাজারে নদীর বাঁধের প্রায় ১শ’ মিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে দোকান-পাট ও মালামাল সরিয়ে নিচ্ছেন।

ভাটিয়াপাড়া বাজার ছাড়াও মধুমতি নদীর ফুকরা চরমাঠলা, মানিকহার, মানিকদাহ, ডুবশী, এমবিআর চ্যানেলের পূর্ব নিজড়া এবং শৈলদাহ নদীর লেবুতলা এলাকায় নদী ভাঙনের প্রভাব লক্ষ্য করা গেছে। এসব এলাকায় বাড়িঘর, ফসলী জমি ও সড়ক ক্ষতির শঙ্কায় স্থানীয়রা দিনযাপন করছেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ী গোলাম মোস্তফা জানান, “প্রতিবছর ভাঙনের কারণে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও জীবিকার মূল উৎস হারানোর শঙ্কায় থাকি। স্থায়ী বাঁধ না থাকায় বর্ষা মৌসুমে প্রতিনিয়ত আতঙ্কে থাকতে হয়।” অন্য ব্যবসায়ী সালাউদ্দিন মোল্লা বলেন, “জিও ব্যাগ দিয়ে সাময়িকভাবে ভাঙন রোধ করা হচ্ছে, কিন্তু তা যথেষ্ট নয়। দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা প্রয়োজন।”

পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাশিয়ানী শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী এস.এম. রেফাত জামিল জানিয়েছেন, “চলতি বর্ষা মৌসুমে ভাটিয়াপাড়া, ফুকরা চরমাঠলা, মানিকহার, মানিকদাহ, ডুবশী, এমবিআর চ্যানেলের পূর্ব নিজড়া এবং শৈলদাহ নদীর লেবুতলা এলাকায় নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। ক্ষতি কমানোর জন্য জিও ব্যাগ দিয়ে প্রাথমিক প্রতিরক্ষা নেওয়া হয়েছে। স্থায়ী প্রতিরক্ষা কাজের জন্য বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। বরাদ্দ পেলে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

স্থানীয়রা আশা করছেন, শুধু পরিদর্শন বা আশ্বাস নয়, দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা নিলে তাদের বাড়ি-বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং ফসলী জমি বাঁচানো সম্ভব হবে। তারা কর্তৃপক্ষকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য চাপ দিচ্ছেন।


নিউজটি আপডেট করেছেন : daliykalerbangladesh

কমেন্ট বক্স