যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট J. D. Vance জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা নিরসনে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় ওয়াশিংটন তাদের ‘সীমারেখা’ স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে। এখন পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার দায়িত্ব ইরানের ওপরই নির্ভর করছে।
তিনি বলেন, “আমার মনে হয় এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার বল ইরানের কোর্টে। আমরা অনেক কিছুই টেবিলে রেখেছি এবং আমাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছি।”
ভ্যান্স জানান, গত সপ্তাহে পাকিস্তানে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিনিধিদলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যার নেতৃত্ব দেন তিনি নিজেই। তবে প্রায় পাঁচ সপ্তাহ ধরে চলা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলা বন্ধে কোনো চুক্তি ছাড়াই আলোচনা শেষ হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর শর্ত
ভ্যান্সের ভাষ্য অনুযায়ী, Donald Trump প্রশাসন ইরানকে দুটি বিষয়ে কোনো ছাড় না দেওয়ার অবস্থান নিয়েছে—
- ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ
- ভবিষ্যতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা ঠেকাতে কঠোর ও কার্যকর যাচাই ব্যবস্থা
তিনি জোর দিয়ে বলেন, শুধু পারমাণবিক অস্ত্র না রাখার ঘোষণা যথেষ্ট নয়; বরং এমন একটি নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থার প্রয়োজন, যা ভবিষ্যতেও ইরানকে এ ধরনের অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখবে।
হরমুজ প্রণালী ইস্যু
ভ্যান্স আরও জানান, সাম্প্রতিক দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র আশা করছে হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণভাবে খুলে দেবে ইরান, যা বর্তমানে কার্যত বন্ধ রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের এই পরিস্থিতি ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ বাড়ছে, আর আলোচনার ফলাফল কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন সবার নজর।
daliykalerbangladesh